Thursday, September 26, 2024

Friday Amal

জুমার দিনের বিশেষ ৬টি আমল : জুমার দিন শ্রেষ্ঠ দিন। সপ্তাহের ঈদের দিন। ইসলামে এ দিনের মর্যাদা রয়েছে। সব দিনের মধ্যে জুমাবারকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন আল্লাহ তাআলা। কোরআন ও হাদিসে এ দিনের বিশেষ সম্মান ও মর্যাদার কথা বলা হয়েছে। জুমার দিনের ফজিলত : হজরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা আগের জাতিগুলোর কাছে জুমার মর্যাদা অজ্ঞাত রাখেন। তাই ইহুদিরা শনিবার নির্ধারণ করে। আর খ্রিস্টানরা রবিবার নির্ধারণ করে। অতঃপর আমরা আসি। আমাদের কাছে তিনি জুমার দিনের মর্যাদা প্রকাশ করেন।’ (মুসলিম, হাদিস ৮৫৬) যে কারণে জুমার দিন শ্রেষ্ঠ : ইসলামি ইতিহাসে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হজরত আবু লুবাবা বিন আবদুল মুনজির রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. জুমার দিন শ্রেষ্ঠ হওয়ার পাঁচটি কারণ উল্লেখ করেছেন। ১. আল্লাহ তাআলা এই দিনে প্রথম মানব হজরত আদম আ.-কে সৃষ্টি করেছেন। ২. জুমার দিনে আদম আ.-কে জমিনে অবতরণ করিয়েছেন। ৩. জুমাবারে হজরত আদম আ.-কে মৃত্যু দিয়েছেন। ৪. এ দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা কিছুই প্রার্থনা করবে তিনি তা কুবল করবেন। যতক্ষণ সে হারাম কিছু প্রার্থনা করবে না। ৫. সবচেয়ে বড় বিষয় হলো এ দিনে কিয়ামত সংঘটিত হবে। (ইবনে মাজাহ, হাদিস ৮৯৫) জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ আমল : জুমার নামাজ হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান মধ্যবর্তী সময়ের পাপ মোচন করে; যদি সেই ব্যক্তি সব ধরনের কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকে।’ (মুসলিম হাদিস ২৩৩) আরও পড়ুন: জুমার দিন বিশেষ যে আমল করতেন রাসুল সা. হজরত সালমান ফারসি রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, সাধ্যমতো পবিত্র হলো, তেল ব্যবহার করল, ঘর থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করল, অতঃপর মসজিদে এলো, সেখানে দুজন মুসল্লির মধ্যে ফাঁক করে সামনে এগিয়ে যায় না, নির্দিষ্ট পরিমাণ নামাজ পড়ল, অতঃপর ইমাম কথা শুরু করলে চুপ থাকল; তাহলে আল্লাহ তাআলা তার দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহ মাফ করবেন।’ (বোখারি, হাদিস ৮৮৩) জুমার দিন গোসল করা : জুমার দিন গোসল করার অনেক ফজিলত রয়েছে। গোসল করে সবার আগে মসজিদে যাওয়া সওয়াবের। হজরদ আউস বিন আউস সাকাফি রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করল, দ্রুততর সময়ে মসজিদে গেল ও (ইমামের) কাছাকাছি বসে মনোযোগসহ (খুতবা) শুনল, তার জন্য প্রতি কদমের বদলে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব থাকবে।’ (আবু দাউদ, হাদিস ৩৪৫) মসজিদে সবার আগে যাওয়া : শুক্রবারে জুমার নামাজের জন্য মসজিদে আগে প্রবেশ করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। রাসুল সা. বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে প্রথমে মসজিদে গেল সে যেন একটি উট কোরবানি করল। যে এরপর মসজিদে গেল, সে যেন একটি গরু কোরবানি করল। আর যে এরপর ঢুকল, সে যেন ছাগল কোরবানি করল, এরপর যে ঢুকল সে যেন মুরগি কোরবানি করল, আর যে এরপর ঢুকল সে ডিম সদকা করল। অতঃপর ইমাম খুতবার জন্য এলে ফেরেশতারা আলোচনা শোনা শুরু করে।’ (বোখারি, হাদিস ৮৪১) জুমার দিন দোয়া কবুল হয় : জুমার দিন একটি সময় আছে, যখন মানুষ আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করেন। হজরত জাবের রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেন, ‘জুমার দিন কোনো মুসলিম আল্লাহর কাছে ভালো কিছুর দোয়া করলে আল্লাহ তাকে তা দেন। তোমরা সময়টি আছরের পর অনুসন্ধান কোরো।’ (আবু দাউদ ১০৪৮) হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত অন্য আরেকটি হাদিসে রাসুল সা. বলেছেন, ‘জুমার দিনের বারো ঘণ্টার মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যদি কোনো মুসলিম এ সময় আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তাহলে মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে দান করেন। এই মুহূর্তটি তোমরা আছরের শেষ সময়ে অনুসন্ধান কোরো। (আবু দাউদ ১০৪৮) সুরা কাহাফ এর ফজিলত : জুমার অন্যতম আমল সুরা কাহাফ পাঠ করা। হজরত আবু সাইদ খুদরি রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পড়বে তা দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ে তার জন্য আলোকিত হয়ে থাকবে। আর যে ব্যক্তি এই সুরার শেষ ১০ আয়াত পাঠ করবে অতঃপর দাজ্জাল বের হলে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। যে ব্যক্তি অজুর পর এই দোয়া পড়বে তার নাম একটি চিঠিতে লেখা হবে। অতঃপর তাতে সিল দেওয়া হবে, যা কিয়ামত পর্যন্ত আর ভাঙা হবে না।’ (তারগিব ১৪৭৩, আল মুসতাদরাক ২/৩৯৯) দরুদ শরিফের ফজিলত জুমার দিন রাসুল সা.-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা অনেক অনেক সাওয়াব। হজরত আউস বিন আবি আউস রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. বলেছেন, ‘তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এই দিনে আদম আ.-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এই দিনে শিঙায় ফুঁ দেওয়া হবে এবং এই দিনে সবাইকে বেহুঁশ করা হবে। অতএব, তোমরা এই দিনে আমার ওপর বেশি পরিমাণ দরুদ পড়ো। কারণ জুমার দিনে তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।’ সাহাবারা বললেন, আমাদের দরুদ আপনার কাছে কিভাবে পেশ করা হবে, অথচ আপনার দেহ একসময় নিঃশেষ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ জমিনের জন্য আমার দেহের ভক্ষণ নিষিদ্ধ করেছেন।’ (আবু দাউদ ১০৪৭) জুমার দিনের আমল : হাদিসগুলো পর্যালোচনা করলে বুঝা যায়, জুমার দিনের কিছু কাজে সাওয়াব মিলে। যেমন, নখ কাটা, গায়ের অবাঞ্চিত লোম পরিস্কার করা, উত্তম রূপে গোসল করা, উত্তম পোশাক পরিধান করা, সুগন্ধি ব্যবহার করবে, যদি তার নিকট থাকে। তারপর জুমার নামাজে আসে এবং অন্য মুসল্লিদের গায়ের ওপর দিয়ে টপকে সামনের দিকে না যায়। নির্ধারিত নামাজ আদায় করে। তারপর ইমাম খুতবার জন্য বের হওয়ার পর থেকে সালাম পর্যন্ত চুপ করে থাকে। তাহলে তার এই আমল পূর্ববর্তী জুমার দিন থেকে পরের জুমা পর্যন্ত সব সগিরা গুনাহের জন্য কাফ্ফারা হবে (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৩)।

Monday, March 18, 2024

Bitcoin halving

@বিটকয়েনের আসন্ন হাভিংয়ে কী ঘটতে যাচ্ছে, দাম কি আরও বাড়বে ? (Bitcoin halving) বিটকয়েনের দাম রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। সে খবরের পাশাপাশি অনেকেই এখন দৃষ্টি ফেরাচ্ছেন আসন্ন হাভিংয়ের দিকে। এর মানে হলো, কিছুদিন পরই বিটকয়েনের উৎপাদন কমে যাবে। আর ঠিক সে কারণেই এখন বিটকয়েনের দাম বাড়ছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। বিটকয়েনের ক্ষেত্রে ‘হাভিং’ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। অর্থনীতির নিয়ম অনুসারে, বাজারে যে পণ্যের চাহিদা আছে, সেই পণ্যের সরবরাহ কমে গেলে দাম বেড়ে যায়। এখন প্রশ্ন হলো, বিটকয়েনের উৎপাদন ও সরবরাহ কমে যাবে এই প্রত্যাশায় কি দাম আরও বেড়ে যাবে, নাকি এটি হবে কেবলই একটি কারিগরি বিষয়। বাজারের ফটকাবাজেরা এই পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে এখন কথা হচ্ছে। কিন্তু হাভিং বিষয়টি কী? এটি কী বিবেচনায় নেওয়ার মতো কোনো বিষয়? বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য নিয়ে এই বিশ্লেষণ। @হাভিং কী : বিটকয়েনের পেছনে রয়েছে ব্লকচেইন প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিতে পরিবর্তন আনা হয় হাভিংয়ের মাধ্যমে। উদ্দেশ্য হলো, যে হারে বিটকয়েন উৎপাদিত হয়, সেটি শ্লথ করা। অর্থাৎ বিটকয়েনের উৎপাদন কমিয়ে দেওয়া। সাতোশি নাকামোতো নামের এক লোক বিটকয়েনের ডিজাইন করেছিলেন। এটি তাঁর ছদ্মনাম। তিনিই বিটকয়েনের সৃষ্টিকর্তা। সাতোশি নাকামোতো ঠিক করেছিলেন, সর্বোচ্চ ২ কোটি ১০ লাখ বিটকয়েন সৃষ্টি করা যাবে। হাভিং করার কোডও লিখেছিলেন নাকামোতো। ঠিক করেছিলেন, নতুন বিটকয়েন তৈরি ধীরে ধীরে কমে যাবে। এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৯০ লাখ বিটকয়েন বাজারে এসেছে। @কীভাবে এটা ঘটে : ব্লকচেইন প্রযুক্তিতে তথ্যের রেকর্ড তৈরি করা হয়। এগুলোর পরিচিতি ‘ব্লক’ হিসেবে। আর চেইনে বা শৃঙ্খলে এই ব্লক যোগ করা পদ্ধতি পরিচিত ‘মাইনিং’ হিসেবে। জটিল সব অঙ্কের সমাধান করে ব্লকচেইন তৈরি করা হয়। মাইনাররা তাদের হিসাব-নিকাশের শক্তি এ কাজে ব্যবহার করেন। আর পুরস্কার হিসেবে তাঁরা পান নতুন বিটকয়েন। তবে যখন হাভিং হয়, তখন মাইনারদের জন্য পুরস্কারের পরিমাণ অর্ধেক হয়ে যায়। এর ফলে মাইনিংয়ে আগের চেয়ে কম লাভ হয়, সঙ্গে নতুন বিটকয়েনের উৎপাদনও ধীর হয়ে পড়ে। এভাবে হয়তো বিষয়টি বুঝিয়ে বলা যেতে পারে: ধরা যাক, বাসায় কাজ করার জন্য দুজন লোককে আপনি নিয়োগ দিলেন এবং তাঁদের পারিশ্রমিক হিসেবে আপনি টাকা বা অন্য কোনো বিনিময় মুদ্রা দেবেন। ঠিক সেই প্রক্রিয়া এখানে ব্যবহার করা হয়। যাঁরা মাইনিং করেন, তাঁদের পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় বিটকয়েন। সেই পুরস্কার কীভাবে দেওয়া হবে, তার জন্য সাতোশি নাকামোতো দুটি নিয়ম করেছিলেন। প্রথম নিয়ম হলো, পৃথিবীতে ২১ মিলিয়ন বা ২ কোটি ১০ লাখের বেশি বিটকয়েন থাকতে পারবে না। অর্থাৎ এর বেশি কেউ আর বিটকয়েন বানাতে পারবে না। দ্বিতীয় নিয়মটি হলো, যখন ২ লাখ ১০ হাজার ব্লক তৈরি হবে, তখন পুরস্কারের পরিমাণ অর্ধেক হয়ে যাবে। অর্থাৎ তখন হাভিং করা হবে। @পরের হাভিং কখন হবে : এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো তারিখ নেই। তবে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, পরের হাভিং হবে এপ্রিল মাসে। দেখা গেছে, ২ লাখ ১০ হাজার ব্লক চেইনে যোগ হতে মোটামুটি চার বছর সময় লাগে; সে জন্য বিটকয়েন হাভিং প্রতি চার বছর পরপর হয়ে থাকে। বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, ২০১২ সালে প্রথম বিটকয়েনের হাভিং হয়েছিল; তখন প্রতিটি ব্লকের জন্য পুরস্কার ৫০ বিটকয়েন থেকে কমিয়ে ২৫ বিটকয়েন করা হয়। এরপর দ্বিতীয় হাভিং করা হয় ২০১৬ সালে। তখন পুরস্কার আরও কমিয়ে সাড়ে ১২ বিটকয়েন করা হয়। ২০২০ সালের মে মাসে যা আরও কমে মাত্র ৬ দশমিক ২৫ বিটকয়েনে নেমে আসে। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এপ্রিল মাসে যে হাভিং হতে যাচ্ছে, তার পুরস্কার আরও কমে ব্লকপ্রতি ৩ দশমিক ১২ বিটকয়েনে নেমে আসবে। @দামের সঙ্গে কী সম্পর্ক : বিটকয়েনের পরিমাণ ২ কোটি ১০ লাখে সীমিত রাখার কারণ হলো অর্থনীতির সেই মূল কথা—চাহিদা ও সরবরাহে ভারসাম্য রাখা। যদি বিটকয়েনের সরবরাহ সীমাহীন হতো বা বিটকয়েন যত খুশি তত উৎপাদন করা যেত, কোনো প্রকার হাভিং না থাকত, তাহলে অনেক বিটকয়েন বাজারে চলে আসত। ফলে বিটকয়েনের দাম এত বেশি থাকত না। অনেক বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ী বলেন, বাজারে বিটকয়েনের পরিমাণ কম থাকলে তার দাম বাড়ে। তবে মাইনারদের অনেকেই হাতে থাকা বিটকয়েন বিক্রি করেন না। যদি তাঁরা বেশি পরিমাণে বিটকয়েন বিক্রি করতেন, তাহলে এর দাম হয়তো কমে আসত। বিটকয়েনের দাম কেন বাড়ে, সেটা জানা সত্যিই কঠিন। একটি কারণ হলো, এই কেনাবেচায় স্বচ্ছতা কম। কে কিনছে, কেন কিনছে, এটা জানা অনেক সময় সম্ভব হয় না। সাম্প্রতিক সময়ে বিটকয়েনের দাম বাড়ার একটি কারণ হিসেবে মনে করা হয় বিটকয়েন ইটিএফের অনুমোদনের বিষয়টিকে। যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন জানুয়ারিতে বিটকয়েন-ভিত্তিক ইটিএফ অনুমোদন করে। একই সঙ্গে মনে করা হচ্ছে যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমাবে। @আগের হাভিংয়ে কী ঘটেছিল : এমন কোনো প্রমাণ নেই যে কেবল হাভিংয়ের কারণেই বিটকয়েনের দাম বেড়েছিল। কিন্তু তারপরও বিশ্লেষক ও বিটকয়েনের কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা হাভিংয়ের সঙ্গে দামের একটা সম্পর্ক খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন। ২০২০ সালের ১১ মে যখন সর্বশেষ হাভিং হয়, তার পরের সপ্তাহে বিটকয়েনের দাম ১২ শতাংশ বেড়েছিল। কিন্তু ওই বছরেরই শেষের দিকে বিটকয়েনের দাম অনেকটা বেড়ে যায়। তখন এর জন্য মুদ্রানীতির পরিবর্তন, ঘরে থাকা বিনিয়োগকারীদের ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ বাড়ানো—এমন অনেক কারণকেই দায়ী করা হয়েছিল। ২০১৬ সালে হাভিংয়ের পরের সপ্তাহে বিটকয়েনের দাম বেড়েছিল ১ দশমিক ৩ শতাংশ। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পরই আবার এই ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম পড়ে যায়। বিটকয়েনের দাম এখন সর্বকালের রেকর্ড উচ্চতায়। গত অক্টোবর মাসের পর থেকে এখন পর্যন্ত বিটকয়েনের দাম বেড়েছে ৬০ শতাংশের বেশি; ৪৪ শতাংশ বেড়েছে কেবল ফেব্রুয়ারি মাসে। তবে অনেক বিশ্লেষক বিটকয়েনের দাম বাড়ার সঙ্গে হাভিংয়ের সম্পর্ক থাকার বিষয়টি পুরোপুরি উড়িয়ে দেন না। এবারে কী হবে, তা নিয়ে কেবল জল্পনা-কল্পনা করাই চলে। বিটকয়েনের দাম এমনিতেই বেশি, তাই এপ্রিল মাসের হাভিংয়ের পর এই ভার্চ্যুয়াল মুদ্রার দাম কোথায় ওঠে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Sunday, March 3, 2024

FUWANGCER

                                                                 FUWANGCERAMIC 









Wednesday, February 28, 2024

MEGHNAPET

                                                                      MEGHNAPET 




SHAFIQUL ANALYSIS FROM JANUARY 2024

                                                                           KTL




AFTABAUTO






Saturday, July 15, 2023

MINIPAC

 FOR DATED 15.07.2023

MiniPack Stock Suggestion

Date: 15.07.23


SONARGAON

Floor:: 33.1

LTP :: 38.8

Entry:: কাল যত কমে কিনা যায়

Stop loss:: below 35.8

Support/resistance:: 43

Resistance / Target:: 43, 46.6, 53.4, 59, 65,


AOL

Floor:: 36.5

LTP :: 36.8

Entry:: কাল যত কমে কিনা যায়

Stop loss:: At floor price

Support / resistance :: 37.5

Resistance / Target :: 40, 45, 55, 65

ফ্লোরে আটকে থাকার ভয় যাদের তাদের জন্য এটা নয় মানে বাই করবেন না।


APEXTANRY

Floor:: 99.3

LTP :: 117.8

Entry:: 109-112

Stop loss:: Below Closed 106

Support/breakout :: 117

Resistance/Target::  129, 141, 160+


BANGAS

Floor:: 108.9

LTP :: 137.1

Entry ::  133-140.5

Stop loss:: below 131

Support/ Breakout :: 146

Resistance/Target:: 159, 164, 173, 190,


ALLTEX

Floor:: 17.5

LTP :: 18.7

Entry :: 18.3-18.9

Stop loss:: below near floor

Support/ Breakout :: Done

Resistance/Target:: 20.3, 22.3, 24.6, 27, 30, 


CNATEX

Floor:: 10.2

LTP :: 11.8

Entry :: 11-11.5,    1% +-

Stop loss:: near floor

Support/ Breakout :: 12.2

Resistance/Target:: 13.2, 14.4, 16.5, 20.8

ফ্লোরে আটকানোর ভয় যাদের তারা স্টকটি কিনবেন না প্লিজ।


AIL

Floor:: 53.4

LTP :: 75.3

Entry :: যত কমে কিনা যায়, 

Stop loss:: below 70

Support/ Breakout :: 79

Resistance/Target:: 83, 91, 113, 150, 

যারা স্টপ লছ মানতে পারেন না তারা বাই করবেন না।


Friday Amal

জুমার দিনের বিশেষ ৬টি আমল : জুমার দিন শ্রেষ্ঠ দিন। সপ্তাহের ঈদের দিন। ইসলামে এ দিনের মর্যাদা রয়েছে। সব দিনের মধ্যে জুম...